বিজ্ঞাপন
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যালয়টির মূল ভবন ব্যবহার অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে। ফলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে পুরোনো ভবনের পাশেই একটি অস্থায়ী টিনশেড ঘর নির্মাণ করে সেখানে পাঠদান চালিয়ে আসা হচ্ছিল। তবে বুধবারের কালবৈশাখী ঝড়ে সেই টিনশেড ঘরের চালা সম্পূর্ণভাবে উড়ে গিয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।
বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। হঠাৎ করে শ্রেণিকক্ষের অভাবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে পাঠদান কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বহুদিন ধরে বিদ্যালয়ের জন্য একটি নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। সাম্প্রতিক এই ঝড় পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে।
এ অবস্থায় স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত টিনশেড ঘর দ্রুত মেরামত কিংবা নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ না নিলে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যাবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...