ছবি : সংগৃহিত
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল মায়াদিন।
সোমবার (৪ মে) আইআরআইবি-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে ইরানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সামরিক সূত্র বলেন, “ইরানের এ ধরনের হামলার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। ওয়াশিংটন নিজেদের স্বার্থে এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এর যাবতীয় দায়ভার মার্কিন বাহিনীকেই নিতে হবে।”
এর আগে সোমবার সকালে সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ ফুজাইরা তেল স্থাপনায় হামলার জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করে একে একটি ‘বিপজ্জনক উস্কানি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। আমিরাত সরকার জানিয়েছে, এই হামলার প্রেক্ষাপটে তারা যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করে।
ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি সোমবার এক ইরানি সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, সংযুক্ত আরব আমিরাত যদি কোনো ‘অবিবেচকের মতো পদক্ষেপ’ নেয়, তাহলের দেশটির সব জাতীয় স্থাপনা ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
সূত্রটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত যদি ‘ইসরায়েলের হাতের পুতুল’ হয় এবং কোনো ভুল হিসাব-নিকাশ করে, তাহলে তারা এমন এক শিক্ষা পাবে যা তারা কখনো ভুলবে না। তিনি আরো যোগ করেন, “সংযুক্ত আরব আমিরাত ভালো করেই জানে তারা একটি ‘ভঙ্গুর কাঁচের ঘরে বসে আছে’ এবং যেকোনো নিরাপত্তাহীনতা তাদের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সূত্রটি আরো উল্লেখ করেছে যে, সংযুক্ত আরব আমিরাত যদি ‘চল্লিশ দিনের যুদ্ধের ভুলের’ পুনরাবৃত্তি করে, তাহলে ইরান আর কোনো সংযম দেখাবে না এবং দেশটিকে ইসরায়েলি ভূখণ্ডের অংশ হিসেবেই গণ্য করবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...