বিজ্ঞাপন
আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) তিনি বলেন, “জাগিরপাড়া স্কুল এন্ড কলেজ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এর আগে স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘদিন ধরে নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটি দেওয়া হচ্ছে। এতে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে দাবি তাদের।
সংবাদে উল্লেখ করা হয়, সরেজমিনে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক সময় সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যেই শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। আবার নিয়মিতভাবে দুপুর ১টা থেকে ২টার মধ্যেও প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।
এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যেও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাকিবুল জানায়, নিয়মিত স্কুলে এলেও অনেক সময় এসে তারা স্কুল বন্ধ পান। এতে তাদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে বলে জানায় সে।
একইভাবে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সিয়াম অভিযোগ করে, নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটি দেওয়ায় ক্লাস সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে না। ফলে পরীক্ষার প্রস্তুতিও ব্যাহত হচ্ছে।
সংবাদ প্রকাশের পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোরাদ হোসেন এর আগে জানিয়েছিলেন, বিষয়টি অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবগত করা হবে।
তদন্তের অগ্রগতি ও পরবর্তী ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে বৃহস্পতিবার একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...