Logo Logo

সিলেটে পাকিস্তানের সামনে লিটনের একার প্রতিরোধ, বিপর্যয় কাটিয়ে লড়াকু পুঁজি বাংলাদেশের


Splash Image

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টেস্টের প্রথম দিন শেষে পাকিস্তানের বিপক্ষে একাই ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন লিটন দাস। টপ অর্ডারের চরম ব্যর্থতার দিনে তাঁর বীরোচিত ব্যাটিংয়ে ভণ্ডুল হয়ে গেছে পাকিস্তানের বড়সড় ধসের পরিকল্পনা। দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সিলেট টেস্টের পুরোদিন পাকিস্তানের হতে দেননি এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। লিটনের দৃঢ়তায় প্রথম ইনিংসে ৭৭ ওভারে ২৭৮ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।


বিজ্ঞাপন


মিরপুর টেস্টের মতো এবারও টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই সাফল্য এনে দেন গত টেস্টের নায়ক মোহাম্মদ আব্বাস। তিনি শূন্য রানেই সাজঘরে ফেরান ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়কে। এরপর অভিষিক্ত তামিমকে নিয়ে ধাক্কা সামলানোর চেষ্টা করেন মুমিনুল হক। তবে দলীয় ৪৪ রানে তামিম (২৬) আর ৬৩ রানে মুমিনুল (২২) বিদায় নিলে ফের চাপে পড়ে দল।

চতুর্থ উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে ভর করে তিন অঙ্কে পা ফেলে বাংলাদেশ। লাঞ্চ বিরতির আগে ২৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০১ রান জড়ো করে স্বাগতিক দল।

দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই যেন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের মিডল অর্ডার। দ্রুতই বিদায় নেন নাজমুল হোসেন শান্ত (২৯) ও মুশফিকুর রহিম (২৩)। তাদের পথ অনুসরণ করে মেহেদী হাসান মিরাজও (৪) দ্রুত ফিরলে ১১৬ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।

১১৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট পতনের পর তাইজুল ইসলামকে সাথে নিয়ে দলের হাল ধরেন লিটন দাস। সপ্তম উইকেটে তারা ৬০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেন। তাইজুল ১৬ রান করে বিদায় নেওয়ার পর আবারও একপ্রান্তে আসা-যাওয়ার মিছিল শুরু হলেও অন্য প্রান্ত আগলে রাখেন লিটন। দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে পাকিস্তানি বোলারদের ক্লান্ত করে তোলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৫৯ বলে ১২৬ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলে বিদায় নেন লিটন। এটি তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি।

শেষ দিকে শরিফুল ইসলামের অপরাজিত ১২ রানের ওপর ভর করে ২৭৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। পাকিস্তানের পক্ষে খুররম শাহজাদ ৪টি, মোহাম্মদ আব্বাস ৩টি, হাসান আলী ২টি এবং সাজিদ খান ১টি উইকেট শিকার করেন।

দিন শেষে ২৭৮ রানকে খুব বড় পুঁজি মনে করার কারণ না থাকলেও, ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর এই সংগ্রহে পৌঁছানো কেবল লিটন দাসের একক দৃঢ়তার কারণেই সম্ভব হয়েছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...