বিজ্ঞাপন
শনিবার (১৬ মে) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাকক্ষে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলমসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতি, প্রেস ক্লাব এবং রিপোর্টার্স ইউনিটির সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আমি ৩১ বছর ধরে যুক্ত রয়েছি। সবচেয়ে সংকটময় মুহূর্তগুলোতেও আমি নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। এমনকি ১/১১-এর মতো কঠিন সময়েও আমি প্রক্টরের দায়িত্বে ছিলাম। নতুনভাবে কাজ শুরু করলে সমালোচনা হবেই, তবে সেটি সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক স্বার্থে কতটুকু সহায়ক, সেটিই আসল বিবেচনার বিষয়। একজন উপাচার্য প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থে কারও না কারও সাথে পরামর্শ করতেই পারেন, তবে আমি সিন্ডিকেট বলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও নিয়মকানুনকেই বুঝি। আইন ও রুলস অনুযায়ী চলাই আমার মূল লক্ষ্য।’
এ সময় ঐতিহাসিক জুলাই-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে ক্যাম্পাসে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘জুলাই-অভ্যুত্থানের বীর শহীদদের চিরস্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনের ফাঁকা স্থানে একটি দৃষ্টিনন্দন স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, খুব দ্রুতই এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।’
গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে আলোকপাত করে অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যেমন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সম্পূর্ণ বদ্ধপরিকর, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও সেই একই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কাজ করবে। সাংবাদিকদের কাছে আমার জোরালো অনুরোধ থাকবে, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে আপনারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাম্পাসের কোনো জাতীয় ইস্যু বা নেতিবাচক তথ্য প্রচারের আগে প্রশাসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত করলে আমরা শুরুতেই তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করতে পারব। যদি প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেটি সমাধান করা সম্ভব না হয়, তবে অবশ্যই আপনারা দেশ ও জাতির সামনে সেই সত্যটি তুলে ধরতে পারেন।’
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...