বিজ্ঞাপন
পুরুষ, নারী ও বয়সভিত্তিক দল মিলিয়ে বাংলাদেশ দলকে বছরে অসংখ্যবার বিদেশ সফরে যেতে হয়। ফলে বিমান ভাড়া বাবদ প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা ব্যয় করতে হয় বাফুফেকে। সাধারণত বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির কাছ থেকে কোটেশন বা দরপত্র নিয়ে বিমান টিকিট নিশ্চিত করে ফেডারেশন। তবে এবারের আসন্ন সান মারিনো সফরে হামজাদের বিমান টিকিটের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছে আকিজ এয়ার। তারা বাংলাদেশ দলের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক রুট নির্ধারণ করে সাশ্রয়ী মূল্যে টিকিট প্রদান করবে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বাফুফে ভবনে দুই পক্ষের মধ্যে অফিশিয়াল চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। চুক্তি শেষে বাফুফে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম বলেন, “সাধারণত টিকিটের ওপর ট্রাভেল এজেন্টরা আমাদের যে কমিশন বা ছাড় দেয়, আকিজ এয়ার সেই ছাড় তো দেবেই; পাশাপাশি আরও বেশ কয়েক শতাংশ খরচ তারা নিজেরা বহন করবে। এটি বাফুফের জন্য বেশ সাশ্রয়ী ও লাভজনক হবে। সান মারিনো সফরে বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের মোট ৩৪ জন সদস্যের জন্য এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে।”
সান মারিনো মূলত ইতালির ভূখণ্ডের ভেতরেই একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। ঢাকা থেকে ইতালির রাজধানী রোমে বিমান বাংলাদেশের সরাসরি ফ্লাইট থাকলেও সেটি অত্যন্ত ব্যস্ত থাকায় পুরো কন্টিনজেন্টের টিকিট একসঙ্গে পাওয়া যায়নি। তাই বাংলাদেশ দলের ট্রাভেল পার্টনার হিসেবে অন্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে টিকিট ম্যানেজ করার কাজ করছে আকিজ এয়ার।
আকিজ এয়ারের সঙ্গে বাফুফের এই চুক্তিটি আপাতত শুধু সান মারিনো সফরকে কেন্দ্র করেই করা হয়েছে। এটি দীর্ঘমেয়াদি না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে ফাহাদ করিম বলেন, “ফুটবল দলের সফরের ক্ষেত্রে অনেক সময় শেষ মুহূর্তেও টিকিট রি-ইস্যু বা তারিখ পরিবর্তন করতে হয়। তাই আমরা প্রথমে একটি সফরে ট্রায়াল দিয়ে দেখতে চাই তাদের সার্ভিস কেমন। অভিজ্ঞতা ভালো হলে সামনে অবশ্যই বড় মেয়াদে চুক্তি করা হবে।”
অনুষ্ঠানে আকিজ এয়ারের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার (সিসিও) দারাজ মাহমুদ বলেন, “আকিজ গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করছে। দেশের ফুটবলের এই জোয়ারের সময়ে বাফুফের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত। আশা করি সামনে আমরা আরও বড় পরিসরে একসাথে কাজ করতে পারব।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...