বিজ্ঞাপন
তবে ঘটনাটি ১০ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, গত ৮ জুলাই পরিচালিত অভিযানে নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদ তালুকদারকে (৩২) ৪০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়। তিনি উপজেলার বারইকরণ এলাকার ফারুক তালুকদারের ছেলে। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
একই অভিযানে বারইকরণ এলাকার মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে মো. গিয়াস হাওলাদারকে (২৮) ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়। আদালত তাঁকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও তিন হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। এ ছাড়া ঝালকাঠি সদর উপজেলার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মাহাদিপুর এলাকার মতিউর রহমানের ছেলে মো. মারুফ হোসেন ওরফে প্রিন্সের কাছ থেকে ৬০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। তাঁকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ঝালকাঠি সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. মেহেদী হাসান। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তাঁদের বিরুদ্ধে এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. মেহেদী হাসান বলেন, "মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে উদ্ধার হওয়া আলামত ও প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তিনজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের 'জিরো টলারেন্স' নীতির অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। মাদকের সঙ্গে জড়িত যে-ই হোক না কেন, আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলী হাসান বলেন, “বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে সাংগঠনিক নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয়ধারী একজন নেতার মাদকসহ আটক হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...