বিজ্ঞাপন
থানা সুত্রে জানা যায়, রিয়াজ ফকির নামে একাধিক মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করা হলে, থানার হাজত খানায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থ আসামি রিয়াজ ফকিরকে প্রথমে আগৈলঝাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং অবস্থার অবনতি হওয়ায় বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
কিন্তু হঠাৎ রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। এসময় উত্তেজিত শতাধিক জনগন বিকেলে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালিয়ে ডিউটি অফিসার আবদুল হালিমকে মারাধর আহত করে। আহত অবস্থায় তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় পুলিশ ও উত্তেজিত জনগণের মাঝে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়াও সংঘর্ষে আরো পাঁচ পুলিশ সদস্য সহ আসামির মা,বোন সহ ছয় জন আহত হয়েছে।
আসামি রিয়াজ ফকিরের পিতা সিদ্দিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলেকে পুলিশ বিনা-অপরাধে গ্রেফতার করে মারধর করেছে।
আগৈলঝাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাসুদ খান বলেন, একটা চুরির মামলায় রিয়াজ ফকিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। থানা হাজতে থাকা কালীন আসামি নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে প্রথমে আগৈলঝাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিনি বলেন আসামির মৃত্যু সংবাদটি ছিল গুজব এবং সেই গুজবকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত শতাধিক লোক থানায় হামলা চালায়।
এঘটনায় থানার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে, ও দোষীদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...