বিজ্ঞাপন
সাইফুল ইসলাম এর আগে লিথুয়ানিয়ায় ইকোলজি অ্যান্ড ক্লাইমেট বিষয়ে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) সম্পন্ন করেন। সম্প্রতি মাস্টার্স শেষ করার পর তিনি ক্লাইপেদা ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি গবেষণার জন্য ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ লাভ করেন।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে সাইফুল ইসলাম বলেন, “সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে আমি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাকে এই সুযোগ দিয়েছেন। আমার বাবা-মা, বন্ধু, মেন্টর ও শিক্ষকদের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। তাঁদের দোয়া, সহযোগিতা ও উৎসাহ ছাড়া আজকের এই অর্জন সম্ভব হতো না।”
বাংলাদেশে সামুদ্রিক গবেষণার সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বিদেশে গবেষণার অনেক সুযোগ রয়েছে। সেখানে গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও অনুকূল পরিবেশ পাওয়া যায়। অথচ আমাদের দেশে সামুদ্রিক গবেষণা খাত এখনো পর্যাপ্তভাবে বিকশিত নয়। যারা এ ক্ষেত্রে গভীর গবেষণা করতে চায়, তাদের জন্য আরও বেশি সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।”
সাইফুল ইসলামের এই অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ওশানোগ্রাফি অ্যান্ড হাইড্রোগ্রাফি বিভাগের দ্বিতীয় ব্যাচের আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছেন। বিভাগের রুহুল করিম, জাহিদুল আলম রাহাত, ক্রিস্টিনা আনচল, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, ইমতিয়াজ আহমেদ সাকিব, তানজুম কবির প্রপা এবং করবী কর্মকার বর্তমানে স্পেন, বেলজিয়াম, যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড ও জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ওশানোগ্রাফি অ্যান্ড হাইড্রোগ্রাফি বিভাগের শিক্ষার্থীদের এ ধরনের ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মানকে বিশ্বপরিসরে আরও দৃশ্যমান করছে। একই সঙ্গে এসব অর্জন দেশের সামুদ্রিক গবেষণায় আগ্রহী নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।
প্রতিবেদক- সাদিকুর রহমান সাদি, প্রতিনিধি, বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...