বিজ্ঞাপন
বর্তমানে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নেপালের ওপর ফিফা নিষেধাজ্ঞা থাকায় ছয়টি দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করে এই ড্র সম্পন্ন করা হয়েছে। স্বাগতিক বাংলাদেশের সঙ্গে ‘এ’ গ্রুপে স্থান পেয়েছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। তবে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে নেপালের ওপর থেকে ফিফা নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে তারা স্বাগতিক বাংলাদেশের গ্রুপেই অন্তর্ভুক্ত হবে। নেপাল যোগ দিলে চার দলের এই গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি দল জায়গা করে নেবে সেমিফাইনালে। আর নেপাল না আসতে পারলে তিন দল নিয়েই অনুষ্ঠিত হবে ‘এ’ গ্রুপের লড়াই।
অন্যদিক, ‘বি’ গ্রুপকে বলা যায় টুর্নামেন্টের ‘গ্রুপ অব ডেথ’। এই গ্রুপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াই করবে মালদ্বীপ। ফুটপ্রেমীদের নজর থাকবে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের দিকে। এই গ্রুপ থেকেও শীর্ষ দুই দল সরাসরি সেমিফাইনালের টিকিট পাবে।
স্বাগতিক হিসেবে নামার কারণে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের ওপর এবার প্রত্যাশার চাপ একটু বেশিই থাকবে। বাংলাদেশ সর্বশেষ ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিল। এরপর দীর্ঘ খরা পেরিয়ে ২০২৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত সাফে সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল টাইগাররা, যা ছিল ১৪ বছর পর তাদের প্রথম শেষ চারে ওঠা। এর আগে ২০১৮ সালে সর্বশেষ সাফের স্বাগতিক হয়েছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ আট বছর পর আবারও ঘরের মাঠে সাফ আয়োজন ও খেলার সুযোগ পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই শিরোপা পুনরুদ্ধারের নতুন স্বপ্নে বুক বাঁধছে ফুটবল সমর্থকেরা।
ঘরের মাঠ ও দর্শকদের জোরালো সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ দল ২০০৩ সালের সেই গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারে কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
এক নজরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ:
গ্রুপ 'এ': বাংলাদেশ, ভুটান, শ্রীলঙ্কা এবং নেপাল (ফিফা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার শর্তসাপেক্ষে)।
গ্রুপ 'বি': ভারত, পাকিস্তান ও মালদ্বীপ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...