প্রতীকী ছবি।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা যায়। ফলাফলে দেখা গেছে, ঝালকাঠি সদর উপজেলার মোস্তফাবাদ কাসেমিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন, সাওরাকাঠি নাভা আদর্শ সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল থেকে ৭ জন, কাঁঠালিয়া উপজেলার বাঁশবুনিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২৫ জন, ঝোড়খালী দারুলহুদা গফুরিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২৪ জন এবং দত্তের পশারিবুনিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এছাড়া বানাই রাবেয়া বালিকা বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন ৬ জন। এই ছয় প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করেননি।
অন্যদিকে, রাজাপুর উপজেলার এসজিএস সেকেন্ডারি স্কুলের ১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন পাস করেছেন। নলছিটি উপজেলার পশ্চিম গোপালপুর হাইস্কুলের ১৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যেও মাত্র একজন উত্তীর্ণ হয়েছেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েকটিতে নিয়মিত পাঠদান হয় না। শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে এসে কিছুক্ষণ অবস্থান করে আবার চলে যান। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও সন্তোষজনক নয়। তাদের দাবি, এমপিওভুক্তির আশায় কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান নামমাত্র কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আগের বছরগুলোতেও এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল আশানুরূপ ছিল না বলে জানান তারা।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবু ছাঈদ বলেন, জেলার কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রত্যন্ত গ্রামে অবস্থিত। এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো কোনো ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ হওয়ায় অভিভাবকেরা সন্তানদের সেখানে পাঠাতে আগ্রহী হন না। ফলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কম থাকে।
তিনি বলেন, “এসব প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার মান উন্নয়নে কী কী করা যায়, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...