বিজ্ঞাপন
এর আগে দিনের শুরুটা ছিল পুরোপুরি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে। দ্বিতীয় উইকেটে তানজিদ হাসান তামিম ও অভিজ্ঞ মুমিনুল হকের মধ্যকার ১০২ রানের জুটি বড় স্কোরের ভিত গড়ে দেয়। মুমিনুল ৪৯ রানে আউট হলেও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ইনিংসের গতি সচল রাখেন তানজিদ। একপ্রান্ত আগলে রেখে ১৮৮ বলে এক অনবদ্য শতক হাঁকিয়ে বিদায় নেন তানজিদ। এরপর শান্ত দলকে তিনশর দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে আক্ষেপের শিকার হন; সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১৬ রান দূরে থাকতে ১২৬ বলে ৮৪ রান করে জশ হ্যাজলউডের বলে দ্বিতীয় স্লিপে স্টিভ স্মিথের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি।
অধিনায়কের বিদায়ের পরই হঠাৎ ছন্দপতন ঘটে টাইগার ইনিংসে। ৮০ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়া নতুন বল হাতে পেতেই বদলে যায় দৃশ্যপট। দলীয় ৩ উইকেটে ২৯৭ রানের শক্ত অবস্থান থেকে মাত্র ১১ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে ৩০৮ রানে পরিণত হয় সফরকারীরা। সুযোগ পেয়েও রানের খাতা খোলার আগেই স্টার্কের বলে স্মিথকে ক্যাচ দিয়ে ডাক মারেন উইকেটকিপার ব্যাটার লিটন দাস। সেট হয়ে যাওয়া মুশফিকুর রহিমও ৫৫ বলে ৩৬ রান করে প্যাট কামিন্সের শিকার হলে ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে অজিরা।
ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তে ক্রিজে দেয়াল তুলে দাঁড়ান শেষ স্বীকৃত ব্যাটার মেহেদী হাসান মিরাজ ও টেল-এন্ডার হাসান মাহমুদ। দুইজনে মিলে প্রায় ২৫ ওভার ধরে অজি পেস আক্রমণ সামাল দিয়ে ১৪৭ বলে গড়ে তোলেন ৪৩ রানের অবিচ্ছিন্ন মূল্যবান জুটি। হাসান মাহমুদ ৭৬ বলে অপরাজিত ১৩ রান করে খাঁটি ব্যাটারের মতো সমর্থন জুগিয়েছেন। অন্যপ্রান্তে ৭৩ বলে ৩২ রানে অপরাজিত থাকা মিরাজ অবশ্য দিনের শেষভাগে কিছুটা ভাগ্যের সহায়তা পেয়েছেন—মার্নাস লাবুশেনের বলে ক্যামেরন গ্রিন নিচু ক্যাচ ফেলে না দিলে উইকেট হারাতে পারত দল। সেই সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে তৃতীয় দিনে লিড আরও বাড়িয়ে নেওয়াই এখন টাইগারদের মূল লক্ষ্য।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...