বিজ্ঞাপন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে বাংলাদেশের এই অভাবনীয় সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। ওয়াসিম আকরাম তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের এই জয় প্রমাণ করে যে টেস্ট ক্রিকেটে দলটি কতটা দ্রুত উন্নতি করেছে এবং তাদের ফোকাস বা অগ্রাধিকার এখন কোথায়।
ম্যাচের বিভিন্ন পর্যায়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শনকারী ক্রিকেটারদের বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান পাকিস্তানি এই গ্রেট। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের দারুণ সেঞ্চুরি, মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদের অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্যের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, পুরো দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই এই জয় এসেছে।
বিশেষ করে পেসার হাসান মাহমুদের বোলিংয়ে দারুণ মুগ্ধ হয়েছেন ওয়াসিম আকরাম। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "তানজিদের দারুণ সেঞ্চুরিসহ সবাই নিজেদের সেরাটা দিয়ে অবদান রেখেছে। তবে হাসান মাহমুদের বোলিংয়ে আমি ভীষণ মুগ্ধ—দারুণ লেন্থে বল করেছে, বাড়তি কিছু না করে একদম নিখুঁত টেস্ট লেন্থ ও মানসম্পন্ন বোলিং উপহার দিয়েছে।"
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলতে নেমেই বাজিমাত করেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। অজিদের মাটিতে অভিষেক বা প্রথম টেস্টে সফরকারী বোলার হিসেবে সেরা বোলিং ফিগারের তালিকায় এখন তিনি কিংবদন্তি মরিস টেট ও স্বয়ং ওয়াসিম আকরামের ঠিক পরেই নিজের শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করেছেন।
ম্যাচের প্রথম ইনিংসে হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত ৬ উইকেটের সুবাদে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে অলআউট করে দেয় বাংলাদেশ। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার তানজিদ হাসানের নান্দনিক ১০১ রানের অসাধারণ ইনিংস দলকে শক্ত ও বড় লিড এনে দেয়।
দ্বিতীয় ইনিংসে অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজের ৫ উইকেট এবং হাসান মাহমুদের ধারালো পেস আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়ে অজিরা। মাত্র ৫৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে টাইগাররা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...