বিজ্ঞাপন
সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান। গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “জ্ঞানের কোনো সীমাপরিসীমা নেই। আমরা প্রতিনিয়ত নতুন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাই এবং কিছু না কিছু শিখি। সে কারণে এই আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সম্মেলন গবেষণায় আগ্রহীদের পথ দেখানোর পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে উদ্ভাবনী কাজে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে, যা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে পাথেয় হয়ে থাকবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. সজীব বালা, গোবিপ্রবির প্রক্টর ড. এস এম আহসান এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক গাজী মোহাম্মদ মাহবুব। বক্তারা উচ্চশিক্ষায় আন্তঃবিষয়ক গবেষণার বিস্তার ও সমসাময়িক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণ গবেষকদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সম্মেলন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. নিয়াজ আল হাসান জানান, দুই দিনের এই সামিটে সাতটি অধিবেশনে শিক্ষার্থীদের গবেষণাপত্রগুলো নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ ও মুক্ত আলোচনা হবে। প্রথম দিনে তিনটি এবং দ্বিতীয় দিনে চারটি সেশন পরিচালিত হচ্ছে। উপস্থাপিত নির্বাচিত ৬৬টি গবেষণাপত্র পরবর্তীতে গবেষণা সাময়িকী আকারে সংকলন করে প্রকাশ করা হবে।
সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশন পরিচালনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এবং গোবিপ্রবির খ্যাতনামা শিক্ষকেরা যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...