বিজ্ঞাপন
নিহত মুনিয়া খানম ওই গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী আলামিন শেখের স্ত্রী এবং পার্শ্ববর্তী বর্ণি ইউনিয়নের হেদায়েত শেখের মেয়ে। পারিবারিক জীবনে মুনিয়া ও আলামিন দম্পতির চার বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে মুনিয়ার শাশুড়ি গৃহস্থালির কাজে পানি আনতে বাইরে যান। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে মুনিয়ার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ডাকাডাকি শুরু করেন। কোনো সাড়া না মেলায় প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে কক্ষের জানালা ভেঙে এক শিশুকে ভেতরে পাঠান। ওই শিশুটি ভেতর থেকে দরজার ছিটকিনি খুলে দিলে স্বজন ও স্থানীয়রা ঘরে প্রবেশ করে আড়ার সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় মুনিয়ার নিথর দেহ ঝুলতে দেখেন।
খবর পেয়ে টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টুঙ্গিপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি এ চরম পথ বেছে নিয়ে থাকতে পারেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...