বিজ্ঞাপন
দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে জমজমাট ফ্র্যাঞ্চাইজি আসর বিপিএলকে কেন্দ্র করে ম্যাচ ফিক্সিং ও জুয়াড়িদের আনাগোনার অভিযোগ নতুন নয়। এর আগেও একাধিক আসরে দুর্নীতিবিরোধী নিয়ম ভাঙার দায়ে দেশি-বিদেশি ক্রিকেটার ও কর্মকর্তাদের শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় গত বিপিএল আসর চলাকালে ফিক্সিংয়ের প্রাথমিক গুঞ্জন উঠলে বোর্ডের অডিট কমিটির দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছিলেন সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বোর্ডের পরিচালক মোখলেছুর রহমান। পরবর্তীতে দীর্ঘ তদন্ত শেষে তাঁর বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের তিনটি সুনির্দিষ্ট ধারা লঙ্ঘনের প্রমাণ পায় বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকু)।
বিসিবির তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে বিপিএলের ম্যাচের ফলাফল, গতিপথ বা পরিচালনাকে বেআইনিভাবে প্রভাবিত করার সরাসরি চেষ্টা এবং ফিক্সিং সংক্রান্ত চুক্তিতে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অন্যদের দুর্নীতিতে জড়াতে প্ররোচিত করা, জুয়াড়িদের কাছ থেকে পাওয়া অনৈতিক প্রস্তাব দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তাদের না জানানো এবং তদন্তের প্রমাণ বা ডিজিটাল যোগাযোগতথ্য মুছে ফেলে তদন্তে বাধার সৃষ্টি করার গুরুতর প্রমাণ মিলেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
একই সঙ্গে নিষিদ্ধ হওয়া সাবেক লিয়াজোঁ অফিসার জাকির হাসানের বিরুদ্ধেও ম্যাচের গতিপথ বেআইনিভাবে পরিবর্তনের অপচেষ্টা, খেলোয়াড় বা অংশীজনদের দুর্নীতিতে জড়াতে উদ্বুদ্ধ করা এবং যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তদন্তে তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানানোর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে রাকিবুল ইসলাম সানির বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও তা গোপন রাখা এবং তদন্ত কমিটির কার্যক্রমে অসহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের ক্রিকেট বোর্ডের আওতাধীন কোনো কর্মকাণ্ডে যুক্ত না থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...