বিজ্ঞাপন
বিসিবির অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত এই টুর্নামেন্টের সম্ভাব্য নাম হতে পারে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। বোর্ডের এক পরিচালক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এনসিএল ফরম্যাটের অধীনে আর টি-টোয়েন্টি আসর রাখা হচ্ছে না। জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়দের ম্যাচ অনুশীলনে রাখা ও ঘরোয়া ক্রিকেটের মান ধরে রাখতেই নতুন ব্র্যান্ডিং ও আঙ্গিকে এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের কথা ভাবা হচ্ছে।
পরিকল্পিত এই আসরে ঐতিহ্যবাহী বিভাগভিত্তিক কোনো দল থাকবে না। ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে টুর্নামেন্টটি আয়োজনের ছক কষা হয়েছে, যেখানে আগ্রহী করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো দলগুলোর মালিকানা কিনে নেওয়ার সুযোগ পাবে। প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে তাদের পছন্দমতো দলের নাম নির্ধারণ করতে পারবে। তবে টি-টোয়েন্টি কাঠামো পরিবর্তন হলেও প্রথম শ্রেণির চার দিনের এনসিএলে বিভাগভিত্তিক দলের ফরম্যাটটি অপরিবর্তিত থাকবে।
ঘরোয়া ক্রিকেটের আর্থিক ভিত শক্তিশালী করতে বিসিবি ইতোমধ্যে এনসিএলের চার দিনের ম্যাচ, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সংস্করণের বাণিজ্যিক অধিকার নিয়ে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি সম্পন্ন করেছে। সাধারণত এই তিন ঘরানার টুর্নামেন্ট আয়োজনে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক বাবদ বোর্ডের প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়। নতুন এই ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি বিক্রি ও স্পনসরশিপের মাধ্যমে বোর্ড প্রায় ১৫ কোটি টাকা রাজস্ব সংগ্রহের প্রত্যাশা করছে। তবে দলের মালিকানা ব্যক্তিমালিকানাধীন বা করপোরেট হলেও লজিস্টিক, সূচি নির্ধারণ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনাসহ মাঠের সার্বিক পরিচালনার কর্তৃত্ব থাকবে বোর্ডের হাতেই।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই মাঠে গড়াতে পারে নতুন এই টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা। আসর শুরুর আগে নিয়মমাফিক প্লেয়ার ড্রাফটের মাধ্যমে দল গঠন সম্পন্ন করা হবে। উদ্বোধনী আসরে কেবল দেশি ক্রিকেটারদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে এবং বিদেশি ক্রিকেটার অন্তর্ভুক্তির সুযোগ রাখা হচ্ছে না। তবে প্রথম আসরের সফলতার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী মৌসুমগুলোতে বিদেশি তারকাদের যুক্ত করার পথ উন্মুক্ত রাখা হবে। বিপিএল না থাকার মৌসুমে এই টুর্নামেন্ট দেশের তরুণ ও উদীয়মান ক্রিকেটারদের জন্য নিজেদের প্রমাণের বড় এক মঞ্চ হবে বলে ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...