বিজ্ঞাপন
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— আলাউদ্দিন, সিহাদ, মিজান ও আপন। র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
র্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তার আপন ও জিহাদ কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্বের সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে মাদক-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে। র্যাবের ভাষ্য, এসআই আলতাফ হোসেন হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ১৫ আসামিই কোনো না কোনোভাবে কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
র্যাব আরও দাবি করেছে, গ্রেপ্তার আপন এই হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা। সে এসএস পাইপ দিয়ে এসআই আলতাফ হোসেনকে আঘাত করেছিল।
র্যাব-১০-এর অধিনায়ক বলেন, এসআই আলতাফ হোসেনকে পুলিশ সদস্য হিসেবে লক্ষ্য করে হত্যা করা হয়নি। ঘটনার সময় অভিযুক্তরা নেশাগ্রস্ত ছিলেন। একটি অপরাধের ঘটনায় বাধা দিতে গিয়ে ঘটনাচক্রে হামলার শিকার হন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, মানবিক বিবেচনায় স্থানীয় একটি ঝামেলা মীমাংসা করতে সেখানে গিয়েছিলেন এসআই আলতাফ। কিন্তু হামলাকারীরা তাঁর কোনো কথা শোনেনি। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হয়। গুরুতর আঘাতের ফলে তাঁর মৃত্যু হয়।
এদিকে জনসম্মুখে অপরাধ সংঘটিত হলেও অনেকে অপরাধীদের পুলিশের হাতে তুলে না দিয়ে ঘটনাস্থলের ছবি তুলে সরে যান বলে মন্তব্য করেছেন র্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেন, জনসম্মুখে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে সাধারণ মানুষের দায়িত্ব হলো অপরাধীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া। এ ধরনের ঘটনায় আইনেও সাধারণ মানুষকে অপরাধী ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার বিধান রয়েছে।
তবে মানুষ বিবেক বিসর্জন দিয়ে শুধু ছবি তুলে ঘটনাস্থল এড়িয়ে যাচ্ছে—এটিকে মানবিক স্খলনের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন র্যাবের এই কর্মকর্তা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...