বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আব্দুস সামাদ (৪৭)।
আব্দুস সামাদ জানান, দুবাছুড়ি মৌজার ১৬৬৭ দাগের ৫০ শতক জমির মধ্যে ৮ শতক জমি তিনি ২০১৪ সালে আব্দুল মতিনের কাছ থেকে বৈধ কবলা দলিলের (নং-৬৬৮০) মাধ্যমে ক্রয় করেন। এরপর দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিতে বিভিন্ন জাতের ফলজ ও বনজ গাছপালা এবং বাঁশঝাড় রোপণ করে পরিচর্যা করে আসছিলেন তিনি।
তার অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকালে মৃত রহমত আলীর ছেলে মুন্না মাহমুদ (৫৫), তিতু (৩৫), কামালসহ অজ্ঞাত কয়েকজন হঠাৎ করে বলপূর্বক ওই জমিতে প্রবেশ করেন। পরে তারা জমিতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ও বাঁশঝাড় কেটে ফেলে। এতে তার প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন আব্দুস সামাদ।
এ ঘটনায় আব্দুস সামাদ বাদী হয়ে নীলফামারীর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এম.আর ৩৪৯/২৬ নম্বর মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়া তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সদর আদালতে পৃথক একটি পিটিশন মামলা (নং-১৭৬) দায়ের করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুন্না মাহমুদ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, ওই জমিতে থাকা গাছগুলো তার বাবা লাগিয়েছিলেন। সে কারণেই তারা গাছগুলো কেটেছেন। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সামাদের পরিবার তা মেনে নেয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে, ঘটনার পর নীলফামারী সদর থানার এসআই রেজোয়ান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধের বিষয়ে সদর থানার এসআই মনিরুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এম.আর ৩৪৯/২৬ নম্বর মামলার ১৪৪/১৪৫ ধারার নোটিশ (স্মারক নং-১১৯৭(২)) হস্তান্তর করা হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...