Logo Logo

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষ্যে গোপালগঞ্জে নানা কর্মসূচি পালন


Splash Image

‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’—এই যুগোপযোগী প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস-২০২৬। প্রবীণ জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা বিধান এবং পরিবার ও সমাজে তাঁদের যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নিয়ে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করা হয়।


বিজ্ঞাপন


বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) সকালে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও এক তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামানের নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। এতে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, প্রবীণ নাগরিক ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে শোভাযাত্রাটি জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

শোভাযাত্রা শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ ‘স্বচ্ছতা’য় দিবসটি উপলক্ষে এক উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামানের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শোভন সরকার।

সভায় স্বাগত ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মুরাদ হোসেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও এপেক্স গোপালগঞ্জ জেলা শাখার চেয়ারম্যান প্রফেসর গোলাম মোস্তফা (জি.এম) এবং বিশিষ্ট পরিবহন ব্যবসায়ী ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা এমদাদুল হকসহ স্থানীয় গুণীজনরা।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান বলেন, "প্রবীণরা আমাদের সমাজের বোঝা নন; বরং তাঁরা পরিবার ও রাষ্ট্রের অমূল্য সম্পদ। তাঁদের দীর্ঘ জীবনের সঞ্চিত প্রজ্ঞা, সততা ও অভিজ্ঞতাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া গেলে তা জাতির উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।" তিনি প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ ও মানসিক একাকীত্ব দূর করতে প্রতিটি পরিবার ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে প্রবীণবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার উদাত্ত আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রবীণ ব্যক্তিদের অধিকার, মর্যাদা, মৌলিক সুযোগ-সুবিধা এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। বিশেষ করে চিকিৎসাসেবা, নিরাপদ যাতায়াত এবং বিনোদনের ক্ষেত্রে প্রবীণবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...