বিজ্ঞাপন
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফারুক ভূঁইয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি আত্মীয়-স্বজন, অসংখ্য গুণগ্রাহী ও সাংস্কৃতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।
ফারুক ভূঁইয়া ছিলেন নীলফামারীর আঞ্চলিক গান, ভাওয়াইয়া ও লোকসংগীতের অন্যতম পথিকৃৎ। উত্তরাঞ্চলের সমৃদ্ধ লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নিজের দরদী কণ্ঠে তুলে ধরে তিনি জয় করেছিলেন অসংখ্য মানুষের হৃদয়। তাঁর কণ্ঠে আঞ্চলিক গানের আবেদন ছড়িয়ে পড়েছিল সংগীতপ্রেমীদের মাঝে।
কালজয়ী লোকসংগীতের সুরকার মহেশ চন্দ্র রায়সহ এ অঞ্চলের বিশিষ্ট গুণীজনদের রচনা ও সুর করা অসংখ্য আঞ্চলিক গান ফারুক ভূঁইয়ার কণ্ঠে পেয়েছিল নতুন মাত্রা। নীলফামারীর মাটির গান, লোকজ ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচিতি তুলে ধরতে তিনি আজীবন কাজ করে গেছেন। তাঁর সংগীতচর্চা উত্তরাঞ্চলের লোকসংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি আঞ্চলিক গানের ঐতিহ্য সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এই কিংবদন্তি শিল্পীর প্রয়াণে নীলফামারীর বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। সংস্কৃতিপ্রেমীরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
সাংস্কৃতিক কর্মীদের মতে, ফারুক ভূঁইয়ার মৃত্যুতে উত্তরবঙ্গের লোকসংগীতের জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো। তাঁর দরদী কণ্ঠে ধারণ করা আঞ্চলিক গান এবং লোকসংস্কৃতির প্রতি আজীবন অবদান তাঁকে সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে স্মরণীয় করে রাখবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...