বিজ্ঞাপন
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫-১৬ বছর বয়সে স্থানীয় মুরুব্বিরা তাজুল ইসলামকে একটি মসজিদের হুজুর হিসেবে নিয়োগ দেন। পরবর্তীতে তিনি একটি মাদ্রাসার দায়িত্ব পান। প্রায় চার দশক ধরে তিনি ওই এলাকায় বসবাস করছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
অভিযোগ রয়েছে, মাদ্রাসার নামে বিভিন্ন স্থান থেকে অনুদান ও অর্থ সংগ্রহ করলেও সেই অর্থ প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যয় না করে নিজের নামে জমি কেনা এবং বসতবাড়ি নির্মাণে ব্যবহার করেছেন তিনি। এ নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় এবং পরবর্তীতে মাদ্রাসাটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় বলে স্থানীয়দের দাবি।
এরপর থেকে তাজুল ইসলাম নিজেকে নিলখী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর হিসেবে পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে তার এই পরিচয় ও সাংগঠনিক পদমর্যাদার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সংগঠনের আনুষ্ঠানিক সূত্রে যাচাই করা প্রয়োজন।
এদিকে, তাবিজ-কবজ ও ঝাড়ফুঁকের আড়ালে নারীদের সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও করেছেন স্থানীয় কয়েকজন। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সর্বশেষ গত রোববার (২৫ অক্টোবর) একই এলাকার একটি মসজিদের ইমাম অভিযুক্ত তাজুল ইসলামের কর্মকাণ্ডের ভিডিও ধারণ করতে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ইমামকে মারতে তেড়ে আসেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা হোক। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে অভিযুক্ত তাজুল ইসলাম ওরফে ‘ডাক্তার হুজুরের’ বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...