বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী দুদিন আগেই প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করলেও শ্রমিক প্রতিনিধি চূড়ান্ত করতে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় পুরো প্রক্রিয়াটি কিছুটা ধীরগতির হয়।
এর আগে একই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সরকারিভাবে পোশাকশ্রমিকদের জন্য একটি নতুন ‘মজুরি বোর্ড’ গঠনের সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত এই বোর্ডের চেয়ারম্যান শেখ আশফাকুর রহমানকে মালিক পক্ষ, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং স্বাধীন সদস্যদের সাথে আলোচনা ও সমন্বয় সাপেক্ষে নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, শ্রমিকদের প্রধান দাবিকে গুরুত্ব দিয়েই এই বোর্ড গঠন করা হয়েছে। একই সাথে শ্রমিকদের রাজপথের আন্দোলন পরিহার করে অবিলম্বে স্ব স্ব কলকারখানায় ও নিজ নিজ কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে, মজুরি বোর্ড গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার পরও দেশের কয়েকটি কারখানায় অহেতুক ছুটি ঘোষণা এবং সাধারণ শ্রমিকদের উসকে দেওয়ার পেছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মনে করছে সরকার।
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে শ্রমমন্ত্রী সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করে বলেন, বিশেষ একটি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্র সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রমিক সেজে সুকৌশলে এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মূলত দেশে অস্থিতিশীল ও অচল পরিবেশ তৈরির অপতৎপরতায় পরিকল্পিতভাবে কয়েকটি রাজনৈতিক দল সাধারণ শ্রমিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...