সিজদা ও জামাতে নামাজে গুনাহ মাফ
বিজ্ঞাপন
পবিত্র কুরআন ও হাদিসে উল্লেখ আছে—মানুষ জীবনের পথে চলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে গুনাহে লিপ্ত হয়ে পড়ে। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। মহান আল্লাহ তাআলা বান্দার গুনাহ ক্ষমার জন্য বিভিন্ন সহজ আমলের ব্যবস্থা রেখেছেন। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বর্ণনায় গুনাহ মাফের ১০টি বিশেষ আমল পাওয়া যায়।
প্রথমত, আল্লাহর জন্য বেশি বেশি সিজদা করা। প্রতিটি সিজদার বিনিময়ে বান্দার মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং গুনাহ মাফ হয়।
দ্বিতীয়ত, জুমার দিন গোসল করে, পবিত্রতা অর্জন করে মনোযোগসহ খুতবা শোনা। এতে এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত গুনাহ ক্ষমা হয়ে যায়।
তৃতীয়ত, হজ ও ওমরাহ আদায়। রাসুল (সা.) বলেছেন, একটি কবুল হজের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়।
চতুর্থত, মুসলমানদের মধ্যে মুসাফাহা করা। এতে ছোটখাটো গুনাহ মাফ হয়ে যায়।
পঞ্চমত, সৃষ্টিজগতের প্রতি সদয় হওয়া। যেমন এক ব্যক্তি কুকুরকে পানি খাওয়ানোর কারণে আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করেছিলেন।
ষষ্ঠত, উত্তমভাবে অজু করে মসজিদে যাওয়া। এ আমল অতীতের পাপরাশি মুছে দেয়।
সপ্তমত, জামাতে নামাজ আদায়। ইমামের সঙ্গে ফরজ সালাত পড়লে গুনাহ ক্ষমা হয়।
অষ্টমত, মন্দ কাজের পরপরই ভালো কাজ করা। আল্লাহ বলেন, “নিঃসন্দেহে সৎকর্ম মন্দ কাজ মুছে ফেলে।”
নবমত, আন্তরিক তাওবা করা। আল্লাহ তাআলা তাওবাকারীর গুনাহ নেকিতে রূপান্তর করে দেন।
দশমত, দুঃখ-কষ্টে ধৈর্য ধারণ করা। বিপদে ধৈর্য ধরলে আল্লাহ বান্দার গুনাহ ক্ষমা করেন।
এসব সহজ আমল মানুষকে আল্লাহর রহমত ও ক্ষমার পথে নিয়ে যায়। তাই প্রতিটি মুমিনের উচিত জীবনে এসব আমল করার মাধ্যমে জান্নাতের যোগ্য হওয়া।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...