বিজ্ঞাপন
সোমবার বিকেলে নগরকান্দায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি মহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমি মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আল্লামা মামুনুল হক বলেন, “শাহ মোহাম্মদ আকরাম আলী একজন মুরুব্বি মানুষ—এই ভেবে কেউ যদি তাকে বা তার নেতাকর্মীদের দুর্বল মনে করে, তাহলে সেটা বড় ভুল। আকরাম আলীর কোনো নেতাকর্মীর গায়ে যদি কেউ হাত তোলে, তাহলে সেখানে আগুন জ্বলবে।”
তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ও নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। অন্যায়, জুলুম ও ভয়ভীতির রাজনীতির বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
রিকশা প্রতীক প্রসঙ্গে আল্লামা মামুনুল হক বলেন, রিকশা এ দেশের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর শেষ সম্বল। কাজ না থাকলে এবং মানুষ যখন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, তখন শেষ আশ্রয় হিসেবে সাধারণ মানুষ রিকশাকেই বেছে নেয়। তাই এই প্রতীক সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।
জনসভাস্থল বরাদ্দ নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ মাঠ তাদের জনসভার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়নি; নিজ উদ্যোগেই মাঠের ব্যবস্থা করতে হয়েছে। এ সময় প্রশাসনের প্রতি নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা নিরপেক্ষ থাকুন, বাকিটা আমরাই বুঝে নিতে পারবো ইনশাআল্লাহ।”
তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, রিকশা প্রতীক ও তার শরীক দল সংসদে গেলে দেশ শাসনের নামে জনগণকে শোষণ করা হবে না। নারীদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান নিশ্চিত করা হবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। আসন্ন নির্বাচনকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে দুটি ব্যালট থাকবে এবং ভোটারদের রিকশা প্রতীক ও ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
নতুন করে কোনো ফ্যাসিবাদের উত্থান কাম্য নয় উল্লেখ করে মামুনুল হক বলেন, বাংলার মাটিতে আর কোনো দুঃশাসনের জন্ম হতে দেওয়া হবে না। “আমরা যদি ফিরে দাঁড়াই, তাহলে দুঃশাসকদের পালানোর জায়গাও থাকবে না,”—বলেন তিনি।
১১ দলীয় জোটভুক্ত ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা–সালথা) আসনের রিকশা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী আল্লামা শাহ মোহাম্মদ আকরাম আলী (ধলা হুজুর)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ জনসভায় আরও বক্তব্য দেন ড. মাওলানা আমিনুর রহমান মাদানী, মাওলানা বদর উদ্দিন, মাওলানা আহমদ হোসাইন, ড. বায়জিদ হোসেন সাহেদ, প্রফেসর মিজানুর রহমান, মাওলানা মাহবুবুর রহমান, সাইফ হাসান খান শাকিবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...