বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে নকরীরচর এলাকায় এ হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। হামলায় হাতুড়ির আঘাতে গুরুতর আহত হন নাজমুল আলম বিশ্বাস। তিনি একই এলাকার মৃত নুরুল হক বিশ্বাসের ছেলে।
ভুক্তভোগী নাজমুল আলম বিশ্বাস জানান, গোপালগঞ্জ মোকাম থেকে দোকানের জন্য মালামাল ক্রয় করে ফেরার পথে নকরীরচর সরদার বাড়ির সামনে পৌঁছালে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এ সময় সন্ত্রাসীরা তার কাছে থাকা নগদ অর্থ, গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন এবং দোকানে বিক্রির জন্য কেনা বিভিন্ন ডিজাইনের থ্রি-পিস ও কাপড়সহ অন্যান্য মালামাল ছিনিয়ে নেয়। লুট হওয়া মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য কয়েক লক্ষ টাকা বলে তিনি দাবি করেন।
হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে তীব্র যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতে নাজমুল আলম বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, খল্লুম মল্লিকের ছেলে পলু মল্লিকের নেতৃত্বে হান্নান মল্লিকের ছেলে জয়নাল মল্লিক, পলু মল্লিকের ছেলে বিজয় মল্লিক, আসিফ সরদারের ছেলে ফয়সাল সরদার, নাসির সরদারের ছেলে ওসমান, মেহেদি, সাহেব মল্লিকের ছেলে মোত্তাকিন মল্লিক, মিন্টু মল্লিকের ছেলে মুরছালিন মল্লিকসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা হাতুড়ি দিয়ে তার বুক, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে এবং ক্রয়কৃত মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা।
ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বর্নি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দুই গ্রামের কিছু কিশোরের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পরদিন থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, এরপর থেকে বর্নি গ্রামের কাউকে নকরীরচর এলাকায় পাওয়া গেলে মারধর করা হচ্ছে। এমনকি ইজিবাইকে চলাচলকারী যাত্রীরাও হামলার শিকার হচ্ছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...