ছবি সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
নিহত আনজুর মিয়া ওই গ্রামের মৃত ছাদ উল্ল্যার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি পারিবারিকভাবে আয়োজিত একটি বিয়ের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দাওয়াত দেওয়া না দেওয়া নিয়ে আনজুর মিয়ার সঙ্গে তাঁর চাচাতো ভাই আনহার মিয়ার কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
ঘটনার দিন দুপুরে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে পরিস্থিতি চরমে পৌঁছায়। এক পর্যায়ে আনহার মিয়া ক্ষুব্ধ হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আনজুর মিয়ার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন।
স্বজনরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে দ্রুত দিরাই সরকারি হাসপাতাল-এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে দিরাই থানা পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আনহার মিয়াকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
দিরাই থানার এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, এটি একটি পারিবারিক বিরোধ থেকে সৃষ্ট হত্যাকাণ্ড। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, সামান্য সামাজিক বিষয়কে কেন্দ্র করে এমন রক্তক্ষয়ী ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...