বিজ্ঞাপন
সরেজমিনে দেখা গেছে, বড় আকারের গাছের তুলনায় ছোট ও মাঝারি আকারের আমগাছে এবার মুকুল বেশি এসেছে। মুকুলের ম ম গন্ধে বাগান মালিকদের চোখেমুখে আনন্দের প্রতিফলন লক্ষ্য করা গেছে। জেলার বাগানগুলোতে গৌড়মতি, হাড়িভাঙ্গা, মিশরি দানা, আম্রপালি, অ্যাংগো ব্যানেনা, খিরসাপাত, গোপালভোগ, ফজলি ও বারিসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের আমের আধিক্য রয়েছে।
উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ গাছ মুকুলে ঢাকা পড়েছে। সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের বাগান মালিক সাগর মিয়া ও সোহেল মিয়া জানান, প্রায় এক মাস আগে থেকেই গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। তারা এখন গাছের বিশেষ যত্ন নিচ্ছেন।
ইটাখোলা ইউনিয়নের ‘সিংদই ছাড়ারপাড় আম বাগান’-এর মালিক আবু রেজা প্রামাণিক জানান, তাঁর বাগানে প্রায় তিন হাজার আমগাছ রয়েছে। মুকুল আসার পর থেকেই তিনি গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করেছেন। মুকুলকে রোগবালাই থেকে রক্ষা করতে তিনি উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ ও কীটনাশক ব্যবহার করছেন।
নীলফামারী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আতিক আহমেদ জানান, কৃষি বিভাগ থেকে বাগান মালিকদের যথাযথ পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এখন পর্যন্ত আবহাওয়া আমের মুকুলের জন্য বেশ অনুকূল রয়েছে। যদি নিয়মিত যত্ন নেওয়া হয় এবং আবহাওয়া এমন থাকে, তবে বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর জেলায় আমের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...