বিজ্ঞাপন
নির্বাচনের পরদিন শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, তাকে দলে ফেরাতে হলে তাঁর সঙ্গে বহিষ্কৃত হওয়া স্থানীয় সকল নেতাকর্মীকেও সসম্মানে পুনর্বহাল করতে হবে।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বিএনপির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক এবং একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সাবেক সদস্য ছিলেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় গত ৩০ ডিসেম্বর তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। একই সাথে তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ১০০ জনেরও বেশি নেতাকর্মীকেও বহিষ্কার করে বিএনপি।
সংবাদ সম্মেলনে নিজের নির্বাচনী প্রতীক 'হাঁস' কোলে নিয়ে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে রুমিন ফারহানা বলেন, "আমার এই জয়ের পথটা সহজ ছিল না, কিন্তু তার চেয়েও কঠিন সময় পার করেছেন আমার নেতাকর্মীরা। আমি যদি আজকে না জিততাম, আমাকে হয়তো ঢাকায় ফিরে গিয়ে নিজের পেশায় মনোযোগী হতে হতো। কিন্তু আমার যে কর্মীরা ১৭টি বছর ঘরবাড়ি ছেড়ে লড়াই করেছেন, তাঁরা সবাই বহিষ্কার হয়েছেন। তাঁদের এই ত্যাগ আর ভালোবাসার ঋণ আমি কীভাবে শোধ করব?"
রুমিন ফারহানা স্পষ্ট করে বলেন, "আমাকে বিএনপিতে ফেরাতে হলে একা ফেরা সম্ভব নয়। আমার জন্য যারা আজ বহিষ্কৃত, তাদের সবাইকে পুনরায় দলের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে।"
বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, রুমিন ফারহানা তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবীবকে ৩৮ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন। হাঁস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট। অন্যদিকে ‘খেজুর গাছ’ প্রতীক নিয়ে জুনায়েদ আল হাবীব পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট। এই জয়কে সাধারণ মানুষের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রায় হিসেবে অভিহিত করেছেন রুমিন ফারহানা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...