Logo Logo

নতুন সংসদের স্পিকার হতে পারেন ড. আবদুল মঈন খান


Splash Image

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যখন সরকার গঠনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে জাতীয় সংসদের স্পিকার পদ। দলীয় ও রাজনৈতিক বিভিন্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, নতুন সংসদে স্পিকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।


বিজ্ঞাপন


নির্বাচনে বিশাল জয়ের পর সরকার গঠন ও সংসদীয় নেতৃত্ব নিয়ে দলটির অভ্যন্তরে ব্যাপক আলাপ-আলোচনা চলছে। সরকার পরিচালনার পাশাপাশি বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয় এবং সংসদের মর্যাদা ও স্বচ্ছতা রক্ষায় অভিজ্ঞ একজন রাজনীতিককে স্পিকার করার বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি। এই মানদণ্ডে ড. মঈন খানের নাম সবচেয়ে জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে।

ড. মঈন খানের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা তাকে এই পদের জন্য অন্যতম যোগ্য প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেছে। তিনি বিএনপির সাবেক খাদ্যমন্ত্রী আব্দুল মোমেন খানের সুযোগ্য সন্তান। বাবার উত্তরসূরি হিসেবে রাজনীতিতে আসা মঈন খান ২০০৯ সালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হন। ইতিপূর্বে তিনি খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় তথ্যমন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতায় অত্যন্ত সমৃদ্ধ ড. মঈন খান যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সাসেক্স থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার এই উচ্চতর শিক্ষা এবং পূর্ববর্তী সংসদীয় অভিজ্ঞতা জাতীয় সংসদের কার্যক্রম পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র জানায়, সরকার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় সংসদের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। দলের নীতি ও সাংবিধানিক কাঠামো বজায় রেখে সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় করতে সক্ষম—এমন কাউকেই স্পিকার হিসেবে ভাবা হচ্ছে। দলের অভ্যন্তরীণ খসড়া আলোচনায় এই মাপকাঠি থেকেই ড. আবদুল মঈন খানের নাম প্রাধান্য পাচ্ছে।

দলের নেতারা মনে করেন, স্পিকার পদটি কেবল সংসদীয় আইন বা অনুষ্ঠান পরিচালনা নয়, বরং সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে এর মর্যাদা রক্ষা করা বড় কাজ। বিশেষ করে বিরোধী দলের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখতে ড. মঈন খানের মতো একজন অভিজ্ঞ ও স্থিতধী নেতার মনোনয়ন নতুন সরকারের জন্য কৌশলগতভাবেও সহায়ক হতে পারে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...