Logo Logo

সেলিমুজ্জামান সেলিমকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় গোপালগঞ্জ-১ আসনের জনগণ


Splash Image

গোপালগঞ্জ-১ (কাশিয়ানী-মুকসুদপুর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিমকে সরকারের মন্ত্রিসভায় দেখার দাবি তুলেছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী হওয়া জনপ্রিয় এই নেতাকে ঘিরে এখন এই জনপদে বইছে আনন্দের বন্যা।


বিজ্ঞাপন


দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত এবং সাবেক সংসদ সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খানের এই নির্বাচনী এলাকায় সেলিমুজ্জামান সেলিমের বিজয়কে একটি বড় রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তৃণমূলের মানুষের সাথে নিবিড় যোগাযোগ এবং ভোটের আগে ঘরে ঘরে গিয়ে জনসংযোগ করার কারণেই ভোটাররা তাকে আপন করে নিয়েছেন বলে স্থানীয়রা মনে করেন।

নির্বাচিত হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় সেলিমুজ্জামান সেলিম স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, অপরাধ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বর্তমানে নিজেকে সবার সংসদ সদস্য হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শান্তি, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা বজায় রাখাই হবে তার মূল লক্ষ্য। বৈষম্যহীনভাবে সবার জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ।

কাশিয়ানী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম শেখের মতে, সেলিমুজ্জামান সেলিম একজন অহিংস ও জনবান্ধব রাজনীতিবিদ। তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে এই এলাকায় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। এলাকার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থেই তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় সাধারণ মানুষ।

উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম পাবেল এবং মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তারেকুল ইসলাম রাজু একই সুরে বলেন, আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি ভেঙে সেলিমের এই বিজয় ঐতিহাসিক। মানুষের প্রত্যাশা পূরণ এবং এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য তাকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া এখন সময়ের দাবি।

সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও তাকে নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। সাজাইল ইউনিয়নের মাজড়া গ্রামের রিনা বেগম বলেন, নির্বাচনের আগে সেলিমুজ্জামান সেলিম তার বাড়িতে গিয়ে অত্যন্ত আপনজন হিসেবে ভোট চেয়েছেন। এলাকার মানুষের প্রতি তার এই মমত্ববোধের প্রতিদান হিসেবেই তারা এখন তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখার স্বপ্ন দেখছেন।

নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও মন্ত্রিত্বের বিষয়ে সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, দীর্ঘ ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েও তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। দলের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমান তার ওপর আস্থা রেখে মনোনয়ন দিয়েছেন। মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার বিষয়ে দলের হাই কমান্ড যে সিদ্ধান্ত নেবে, তিনি তা সাদরে গ্রহণ করবেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...