বিজ্ঞাপন
ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কুশঙ্গল ইউনিয়নের সেওতা এলাকায় পৈত্রিক বসতবাড়ির কবরস্থানের পথকে কেন্দ্র করে তাদের সঙ্গে চাচাতো ভাইদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সোহাগ মাঝি, মামুন মাঝি, মিন্টু মাঝি ও নাঈম মাঝিসহ কয়েকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে বাদল মাঝির ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলায় বাদল মাঝির পিঠ, হাত ও কোমড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যাওয়া তার স্ত্রী শাকিলা জাহান চৈতীকেও কিল-ঘুষি ও ধাক্কা দিয়ে আহত করা হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগীর ছোটবোন মোসা. রিনা বেগম (৩৬) বাদী হয়ে নলছিটি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগের সময় ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেন।
বাদল মাঝি অভিযোগ করেছেন, তিনি বাবার একমাত্র ছেলে হওয়ায় চাচাতো ভাইরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছিল এবং সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছিল। সর্বশেষ ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তার গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় এবং চাচাতো ভাই সেলিম মাঝির স্ত্রী মিনারা বেগম তার অন্ডকোষ চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন। এতে বাদল মাঝি একপর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পুরো ঘটনাটি তার বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে ধারণ হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
অভিযুক্ত সেলিম মাঝির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার স্ত্রী মিনারা বেগম ফোন রিসিভ করলেও সাংবাদিক পরিচয় জানার পর কল কেটে দেন এবং পরে ফোন বন্ধ রাখেন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুল আলম জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...