বিজ্ঞাপন
সরেজমিনে দেখা যায়, শহিদ মিনার অভিমুখী রাস্তাগুলোতে দীর্ঘ লাইন। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিএনসিসি ও স্কাউটস সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। একে একে সবাই ভাষা আন্দোলনের বীর সন্তানদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহিদ বেদিতে ফুল দিচ্ছেন।
শ্রদ্ধা জানাতে আসা উল্লেখযোগ্য সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ইডেন মহিলা কলেজ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, ছায়ানট, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, টিআইবি, উদীচী এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনেকেই পরিবার ও শিশুদের নিয়ে এসেছেন এই পবিত্র স্থানে। অনেক অভিভাবককে দেখা গেছে তাঁদের সন্তানদের কাছে ১৯৫২ সালের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস তুলে ধরতে।
শ্রদ্ধা জানাতে আসা শফিকুল ইসলাম বলেন, "এই দিনটি আমাদের প্রধান প্রেরণা। যখন পশ্চিমারা আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, তখন ছাত্ররা আত্মত্যাগের মাধ্যমে মায়ের ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। আমরাই বিশ্বের একমাত্র জাতি, যারা মাতৃভাষার জন্য জীবন দিয়েছি।"
ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী তানজিলা আক্তার জানান, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস কেবল বইয়ে পড়ার বিষয় নয়, এটি বাঙালির আত্মপরিচয়ের অংশ। প্রতি বছর শহিদ মিনারে এসে শ্রদ্ধা নিবেদন করলে ইতিহাসের সেই ত্যাগকে নতুন করে অনুভব করা যায়।
শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ স্কাউটসের সদস্য মাহদি হাসান বলেন, শ্রদ্ধা নিবেদনে আসা মানুষের আবেগ অত্যন্ত গভীর। সবাই নিয়ম মেনে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন, যা আমাদের জাতীয় ঐক্যের এক অনন্য প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...