বিজ্ঞাপন
ঈদের জামাতে ইসলামকাটি, গোয়ালচত্বর, ভোঁদড়া, ঘোনা, ভাড়খালী, মিরগিডাঙ্গা এবং খুলনার পাইকগাছাসহ আশপাশের অন্তত ২০টি গ্রামের মুসল্লিরা অংশ নেন। এছাড়া একইভাবে জেলার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী এবং তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নেও পৃথক দুটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঈদের নামাজে অংশ নিতে আসা কলারোয়া উপজেলার গোয়ালচত্বর গ্রামের বাসিন্দা আলি হোসেন জানান, সকাল ৭টায় বাসা থেকে বের হয়ে পরিবারসহ নামাজ আদায় করেছেন। তিনি বলেন, একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করতে পেরে তারা আনন্দিত।
খুলনার পাইকগাছা উপজেলা থেকে আসা জিএম হাসান মাহবুব বলেন, তারা আগে থেকেই শাওয়াল মাসের চাঁদ উঠেছে বলে জেনেছেন এবং সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একই দিনে ঈদ উদযাপন করাকে যুক্তিসংগত মনে করেন।
খুতবায় মাওলানা মাহবুবুর রহমান বলেন, পবিত্র শাওয়াল মাসের প্রথম দিনে তারা ঈদের নামাজ আদায় করেছেন এবং এবার মুসল্লিদের উপস্থিতি অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি ছিল। তিনি ভবিষ্যতে সবাই যেন একসঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারে সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
জামাত শেষে দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মুসল্লিরা জানান, প্রায় ২৫ বছর ধরে তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করে আসছেন। তবে জেলার অধিকাংশ এলাকায় চাঁদ দেখার ভিত্তিতে পরদিন ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...