বিজ্ঞাপন
শাহ আলী থানা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থলে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে স্থানীয়রা ফাহিমকে আটকে রাখে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে থেকে স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে রেখেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আমাদের হেফাজতে নেয়। বর্তমানে তাকে থানায় রাখা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, আর এস ফাহিমের বিরুদ্ধে পূর্বে সংঘটিত জুলাই মাসের বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক মামলা বিভিন্ন থানায় রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এসব মামলার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগগুলো যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অতীতের ঘটনাগুলোর সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাহিমকে ঘিরে এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত বিভিন্ন কনটেন্টের কারণে আর এস ফাহিম পরিচিতি পান। তবে তার বিরুদ্ধে নানা বিতর্ক ও অভিযোগও উঠে এসেছে, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও আইন সমানভাবে প্রযোজ্য এবং কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। বর্তমানে ফাহিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর অগ্রগতি অনুসারে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...