বিজ্ঞাপন
এক যুগের বেশি সময় বিসিবির সভাপতির দায়িত্ব পালন করা নাজমুল হাসান পাপন পদত্যাগের পর গত দুই বছরেরও কম সময়ে তিনবার নেতৃত্ব পরিবর্তন হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দায়িত্ব নেন ফারুক আহমেদ। পরে ২০২৫ সালে সভাপতি হন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সর্বশেষ মঙ্গলবার তামিম ইকবাল-এর নেতৃত্বে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।
এই ধারাবাহিক পরিবর্তন নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করে আফতাব বলেন, “যে পরিমাণ সার্কাস চলছে ক্রিকেট বোর্ডে, যদি ২ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কিনেন, আপনার ওই টিকিট বৃথা যাবে না। এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সার্কাস হচ্ছে ক্রিকেট বোর্ড।”
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা এই সাবেক ক্রিকেটার সেখানকার ক্রিকেট ব্যবস্থাপনার উদাহরণ টেনে বলেন, “আমেরিকায় তিন বছর ধরে আছি, কিন্তু ক্রিকেট বোর্ড কোথায় সেটাই জানি না। বোর্ডের সদস্য কারা, সেটাও জানি না। অথচ প্রতিদিন ক্রিকেট নিয়ে কাজ করছি।”
তার মতে, বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসনে অতিরিক্ত প্রচার ও অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে কোনো মানুষের ব্যর্থতা লুকানো যায় না। মিডিয়া এমনভাবে প্রচার করে যে আপনি না চাইলেও সব জানতে হবে।”
আফতাব আরও বলেন, “এই সার্কাস আর কতদিন চলবে জানি না। ক্রিকেট তো এখন আর নাই, সার্কাস আছে। সার্কাসটা দেখার জন্য আপনাদের সবাইকে অনুরোধ জানাইলাম।”
বিশ্লেষকদের মতে, বিসিবির নেতৃত্বে ঘন ঘন পরিবর্তন এবং প্রশাসনিক অস্থিরতা দেশের ক্রিকেটে প্রভাব ফেলতে পারে। এ পরিস্থিতি দ্রুত স্থিতিশীল না হলে দীর্ঘমেয়াদে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...