বিজ্ঞাপন
ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে মাত্র ১৯৮ রানে অলআউট হয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। জবাবে ১৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮৭ বল হাতে রেখেই সহজ জয় তুলে নেয় টাইগাররা।
ইনিংসের শুরুতেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন ওপেনার সাইফ হাসান। প্রথম বলেই চার হাঁকান তিনি। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি, প্রথম ওভারের শেষ বলেই ৮ রান করে ফিরে যান। এরপর ক্রিজে আসা সৌম্য সরকার কিছুটা ছন্দে থাকলেও ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ছক্কা হাঁকানোর পরই ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। তার ব্যাট থেকে আসে ১১ বলে ৮ রান।
তৃতীয় উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে দারুণ জুটি গড়েন তানজিদ হাসান তামিম। এই জুটিই মূলত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। দুজনে মিলে ১২০ রানের দুর্দান্ত পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন, যা বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। তানজিদ মাত্র ৫৮ বলে ৭৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ১০টি চার ও ৪টি ছক্কা। অন্যদিকে শান্ত ৭১ বলে ৫০ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। পাওয়ার প্লেতে মাত্র ২৮ রান তুলতে গিয়ে হারায় ২ উইকেট। পেসার নাহিদ রানার তোপে শুরুতেই চাপে পড়ে সফরকারীরা। তিনি হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়াংকে দ্রুত ফিরিয়ে দেন।
মধ্যভাগে নিক কেলি ও মুহাম্মদ আব্বাস কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। কেলি ১০২ বলে ৮৩ রানের ইনিংস খেললেও বড় স্কোর গড়তে পারেননি দল। আব্বাসকে ১৯ রানে ফিরিয়ে দেন নাহিদ। এরপর শরিফুল ইসলাম ও রিশাদ হোসেনের বোলিংয়ে দ্রুত ভেঙে পড়ে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ।
নাহিদ রানা শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচে বড় ভূমিকা রাখেন। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় কিউইরা।
এই জয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে বাংলাদেশ। এখন সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডের দিকে তাকিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...