বিজ্ঞাপন
গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির কারণে কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। তবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই এলাকায় তীব্র লোডশেডিং চলমান থাকায় হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। হাসপাতালটিতে কোনো জেনারেটর নেই এবং দীর্ঘদিনের পুরনো আইপিএসটি অচল হয়ে পড়ায় বিদ্যুৎ গেলেই পুরো কমপ্লেক্স অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, জরুরি বিভাগসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড অন্ধকারে ঢেকে আছে। এ সময় চিকিৎসকরা নিজেদের মোবাইল ফোনের টর্চ জ্বালিয়ে রোগীদের ক্ষত পরীক্ষা, ড্রেসিং ও প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পন্ন করছেন। এমনকি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রে নোট লেখার কাজেও তাদের মোবাইলের আলোর ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনরা দীর্ঘদিনের এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বদিউল আলম নামের এক রোগী জানান, জেনারেটর বা সচল আইপিএস না থাকায় এই হাসপাতালে আসা রোগীদের ভোগান্তির শেষ নেই। অথচ এই সংকট নিরসনে কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়।
কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সামিয়া ইসলাম নিপুণ জানান, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারে কাজ করা অত্যন্ত দুরুহ। বাধ্য হয়ে মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে রাউন্ড দিতে হচ্ছে। প্রতিকূলতার মাঝেও রোগীদের সেবা অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি বরাদ্দের অভাবে সেগুলো চালু রাখা যাচ্ছে না বলে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রামের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার জানান, জ্বালানি চাহিদার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...