বিজ্ঞাপন
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক শেখ মো. আলী মর্তুজা জানান, দরবারে হামলার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আলমগীরের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে শিশু-কিশোর সংশোধন ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এদিকে আলমগীরের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগটি অস্বীকার করা হয়েছে। আলমগীরের খালা রোজিনা খাতুন জানান, ঘটনার দিন আলমগীর দুপুরে প্রাইভেট পড়ে বাড়িতেই ছিল। পরে আগুন নেভানোর সময় সে কৌতূহলী হয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। রাতে পড়াশোনা করে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে তুলে নিয়ে যায় এবং পরে তাকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
উল্লেখ্য, ১০ এপ্রিল পীর আব্দুর রহমানের একটি পুরোনো ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর জেরে ১১ এপ্রিল দুপুরে একদল উত্তেজিত জনতা দরবারে হামলা চালিয়ে পুলিশের উপস্থিতিতেই তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ ১৮০ থেকে ২০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করেন।
মামলার এজাহারে প্রধান ও হুকুমের আসামি করা হয়েছে স্থানীয় জামায়াত নেতা ও জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ খাজা আহমেদকে। এছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি মো. আসাদুজ্জামানসহ আরও কয়েকজন। এর আগে ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করে বিপ্লব (২৬) ও আলিফ ইসলাম (২৩) নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর ইসলাম জানান, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...