বিজ্ঞাপন
ধানের লাভজনক দাম, ধান কেনায় লটারি প্রথা বাতিল, কৃষকের কাছথেকে সরাসরি ধান ক্রয়, অতি বৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের ক্ষতি পূরণ, সরকারি খালের ইজারা বাতিল এবং পুনঃখাল খনন সহ নানা দাবীতে এ কৃষক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
কৃষক সমিতি কলাপাড়া উপজেলা শাখার সভাপতি জিএম মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টি কলাপাড়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কমরেড নাসির তালুকদার, বাংলাদেশ ক্ষেত মজুর সমিতি কলাপাড়া উপজেলা শাখার আহবায়ক অবসরপ্রাপ্ত প্রভাষক রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কলাপাড়া উপজেলা শাখার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নয়নাভিরাম গাইন( নয়ন), সদস্য আবুল কালাম সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
এসময় বক্তারা বলেন, প্রতিবছর কৃষক চাষাবাদ করে ঋনগ্রস্থ হচ্ছে। এরা ধানের লাভজনক দাম পাচ্ছে না, চাষাবাদে সময়মত সার কীটনাশক পাচ্ছে না, প্রকৃত কৃষক কৃষি প্রণোদনার আওতায় আসে না, খালস্লুইস সিন্ডিকেটের দখলে থাকে, কৃষকের জন্য সুদমুক্ত ঋণ নেই, ধান বিক্রি করতে গেলে দালালদের সিন্ডিকেট, পরিমাপে বেশি নিয়ে যাওয়া সহ নানান কারণে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভবিষ্যতের সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন কৃষকের এই সকল সমস্যার সমাধানে এগিয়ে না আসলে কৃষি থেকে কৃষকরা মুখ ফিরিয়ে নিবে। মুখ থুবরে পড়বে কৃষি অর্থনীতি, ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ। ফলে বক্তারা সরকারকে কৃষকের প্রতি সদয় দৃষ্টি দেওয়ার আহবান জানান।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এক স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কাউছার হামিদ বলেন,কৃষকদের স্মারকলিপি পেয়েছি, ধানের ওজন ক্রয়-বিক্রয় ৪০ কেজিতেই মন হবে।জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশক্রমে ইতোমধ্যে উপজেলার ৪৪ টি খাল অবমুক্ত করা হয়েছে এবং দখকৃলকৃত বাকিগুলোও পর্যায়ক্রমে অবমুক্ত করা হবে।কৃষকদের কাছ থেকে আমরা সরাসরি ধান ক্রয় করব, তাদের দাবির সাথে আমরা একমত।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...