বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে আশ্রয়কেন্দ্রটির দরজা-জানালার অবস্থা সন্দেহজনক দেখে স্থানীয়রা ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে দেখা যায়, ভবনের বিভিন্ন কক্ষ থেকে ফ্যান, লাইট ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম খুলে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া ভবনের কেচি গেটের তালাও ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনার পর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের অফিস সহায়ক মাসুদ রানা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয়দের কাছ থেকে মুঠোফোনে খবর পেয়ে সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে গিয়ে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন। দুর্বৃত্তরা আশ্রয়কেন্দ্রে প্রবেশ করে ১৪টি সিলিং ফ্যান, ১০টি লাইটসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দুর্যোগকালীন সময়ে সাধারণ মানুষের আশ্রয়ের জন্য নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। নিয়মিত তদারকি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় রাতে সেখানে মাদকসেবীদের আড্ডা বসে এবং নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়। তাদের ধারণা, ওই মাদকসেবীদের কেউ এ চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এলাকাবাসী দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি আশ্রয়কেন্দ্রটির নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শফিউল বসার বলেন, “চুরির ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।”
বড়কৈবর্তখালীর গ্রাম পুলিশ সদস্য মেহেদী মৃধা জানান, “ভবনটির দায়িত্বে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রয়েছেন। ঘটনাটি দেখে ছবিসহ তাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।”
রাজাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি বলেন, “চুরির বিষয়টি শুনেছি। থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করছে।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...