বিজ্ঞাপন
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দেশবরেণ্য কবি, লেখক ও সাহিত্যিকদের আড্ডায় মুখরিত হবে মেলা প্রাঙ্গণ। এবারের মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী এডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
মেলা উপলক্ষে কবির পৈতৃক বাড়ি চত্বরে গ্রামীণ মেলার পাশাপাশি আবৃত্তি, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং দেশবরেণ্য কণ্ঠশিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ধারাবাশাল আদর্শ সরকারি মহাবিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক কবি মিন্টু রায় মেলার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, "প্রতি বছরই সুকান্ত মেলায় কবি-সাহিত্যিকদের মিলনমেলা বসে। এখানে সাহিত্যিকরা প্রাণ খুলে কথা বলার সুযোগ পান, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।"
কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাগুফতা হক জানান, স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিদের সহযোগিতায় মেলার সব প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের স্মৃতি ও আদর্শ যুব সমাজের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমাদের আরও নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত।"
উল্লেখ্য, ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন বাংলা সাহিত্যের ‘কিশোর কবি’ সুকান্ত ভট্টাচার্য। ১৯৪৭ সালের ১৩ মে মাত্র ২১ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর ‘ছাড়পত্র’, ‘ঘুম নেই’, ‘পূর্বাভাস’, ‘অভিযান’ ও ‘হরতাল’ কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি পঙ্ক্তিতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং শোষিতের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান ফুটে উঠেছে। দীর্ঘদিন বেদখল থাকার পর সরকার কবির পৈতৃক ভিটা উদ্ধার করে এবং সেখানে জেলা পরিষদের মাধ্যমে একটি লাইব্রেরি কাম অডিটোরিয়াম নির্মাণ করা হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...