Logo Logo

আফ্রিকার বাকি রইল দুই, এশিয়ার নেই কেউ


Splash Image

চলতি ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮-এ উন্নীত করায় সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছিল আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশ। দুই মহাদেশ থেকেই রেকর্ডসংখ্যক দেশ এবার বিশ্বমঞ্চে পা রাখার ঐতিহাসিক সুযোগ পায়। কিন্তু রাউন্ড অব ৩২ (নকআউট পর্ব)-এর খেলা শেষে ফুটবলপ্রেমীদের সেই প্রত্যাশার বেলুন যেন দ্রুতই ফুটো হয়ে গেছে। দুই মহাদেশের একঝাঁক দলের মধ্যে রাউন্ড অব সিক্সটিনে (সেরা ১৬) জায়গা করে নিতে পেরেছে কেবল দুটি দল। আর এই দুটি দলই আফ্রিকা মহাদেশের; এশিয়া মহাদেশের সব দল ইতিমধ্যেই বিদায় নিয়েছে।


বিজ্ঞাপন


অস্ট্রেলিয়াসহ এশিয়া মহাদেশ থেকে এবারের মেগা বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল মোট ৯টি দল। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সৌদি আরব, ইরান কিংবা অস্ট্রেলিয়ার মতো নিয়মিত বিশ্বকাপ খেলা পরাশক্তিগুলোর পাশাপাশি বেশ কিছু চমকপ্রদ দলও ছিল এবার। কিন্তু নকআউটের চূড়ান্ত লড়াই শুরু হতেই দেখা গেল মাঠের নির্মম বাস্তবতা।

এশিয়ার দুই পরাশক্তি জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে নিয়ে সমর্থকদের সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা ছিল। গ্রুপ পর্বের বাধা পেরিয়ে জাপান পরের রাউন্ডে উঠলেও, সন হিউং-মিনদের দক্ষিণ কোরিয়া গ্রুপ পর্বের গণ্ডিই পার করতে পারেনি। এদিকে সেরা ৩২ দলে জায়গা করে নিয়েছিল এশিয়া মহাদেশের ফুটবল ফেডারেশনের অংশ অস্ট্রেলিয়াও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলের বিপক্ষে জাপান এবং মিশরের বিপক্ষে হেরে বিদায় নেয় অস্ট্রেলিয়া। লাতিন ও ইউরোপীয় দলগুলোর শারীরিক ফুটবল ও আধুনিক কৌশলের সামনে এশীয় দলগুলোর রক্ষণ ও আক্রমণভাগ পুরোপুরি খেই হারিয়ে ফেলে। বিশ্বমঞ্চে খেলার অভিজ্ঞতা বাড়লেও নকআউটের হাই-ভোল্টেজ চাপ নেওয়ার মতো পরিপক্বতা এশীয় ফুটবলে এখনও অধরাই রয়ে গেল।

অন্যদিকে, আফ্রিকা মহাদেশ থেকে এবার রেকর্ড ১০টি দল লড়তে এসেছিল উত্তর আমেরিকায়। ফুটবলপ্রেমীদের ধারণা ছিল, কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কোর দেখানো পথ ধরে আফ্রিকার দলগুলো এবার আরও বড় ধামাকা দেখাবে। একমাত্র তিউনিসিয়া ছাড়া বাকি নয়টি দলই উঠেছিল দ্বিতীয় রাউন্ডে (শেষ ৩২)। কিন্তু সেখান থেকে মরক্কো ও মিশর ছাড়া বাকি সব দলই নকআউটের প্রথম ধাক্কায় বাদ পড়েছে।

আটলাস লায়নরা (মরক্কো) তাদের কাতার বিশ্বকাপের সেই জমাট রক্ষণ আর গতিময় কাউন্টার অ্যাটাকিং ফুটবল দিয়ে আবারও নিজেদের মহাদেশের সেরা প্রমাণ করেছে। আর দ্য ফারাওরা (মিশর) তাদের চেনা ছন্দ আর অভিজ্ঞতার ওপর ভর করে টিকে রয়েছে বিশ্বমঞ্চে।

এখন পুরো আফ্রিকা মহাদেশের ফুটবল ভক্তদের চোখ থাকবে মরক্কো আর মিশরের ওপর। তবে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার পথটা মিশরের জন্য একেবারেই মসৃণ নয়। কেননা শেষ ১৬-এর মঞ্চে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে মোহামেদ সালাহর মিশর। অন্যদিকে, তুলনায় সহজ প্রতিপক্ষ কানাডার বিপক্ষে মাঠে নামবে গতবারের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো, যেখানে হাকিমিদের সেরা আটে ওঠার প্রবল সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...