বিজ্ঞাপন
বুধবার (৮ জুলাই) সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, টানা বৃষ্টির কারণে ফারুয়া ইউনিয়নের ফারুয়া বাজার, গোয়াইনছড়ি, তারাছড়ি, এগুজ্যাছড়ি, যমুনাছড়ি, উলুছড়ি, তক্তানালা ও ওরাছড়িসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে বসতঘর ও দোকানপাটের পাশাপাশি কৃষিজমি, স্থানীয় সড়ক, পাড়াকেন্দ্র এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়েরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
যমুনাছড়ি ব্যাপটিস্ট চার্চের যাজক রবার্ট বম জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে চার্চের ভেতরে ৪ থেকে ৫ ফুট পর্যন্ত পানি উঠে যায়। একই সঙ্গে গ্রামের বেশ কিছু অংশও প্লাবিত হয়েছে বলে তিনি জানান।
ফারুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা প্লাবনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নদীতীরবর্তী ঘরবাড়ি ও দোকানপাট পানিতে ডুবে গেছে। ফারুয়া বাজারে হাঁটুসমান পানি জমেছে। তবে রাতের তুলনায় পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়ে বড় ধরনের বন্যার সৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কয়েকটি স্থানে ছোট আকারের পাহাড়ধসের খবর পাওয়া গেছে। তবে এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।
সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। পাহাড়ধস ও বন্যাজনিত ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে উপজেলার সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে মাইকিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে মোট ১৪টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...