বিজ্ঞাপন
মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুহা. ইব্রাহীম খলীল জানান, ছোটবেলা থেকেই শিশু-কিশোরদের মাঝে নামাজের নিয়মিত অভ্যাস গড়ে তোলা, মসজিদমুখী জীবন গঠন এবং দ্বীনি মূল্যবোধ জাগ্রত করার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুরুতে এই কর্মসূচি এক সপ্তাহের জন্য হাতে নেওয়া হলেও শিশু-কিশোরদের প্রবল উৎসাহ ও সমাজের ইতিবাচক সাড়ার কারণে তা দুই সপ্তাহে সম্প্রসারণ করা হয়। বর্তমানে এই কর্মসূচি এক মাস মেয়াদে চলমান রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা ৪১ দিনব্যাপী পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই আয়োজনে পুরস্কার স্পন্সর করে সহযোগিতা করেছেন মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি ও স্থানীয় ফ্রিল্যান্সার মো. বেলাল হোসাইন।
এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ফলে এলাকায় শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্ক মুসল্লিদের উপস্থিতিও ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। শিশু-কিশোরদের পদচারণায় প্রতিটি ওয়াক্তের নামাজে মসজিদে এক প্রাণবন্ত আবহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে জানান, ডিজিটাল ডিভাইসের অপব্যবহার ও নানা সামাজিক অবক্ষয়ের যুগে শিশুদের সঠিক পথ প্রদর্শন এবং মসজিদে আসার অভ্যাস গড়ে তুলতে এটি বড় ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, ইসলামে জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব অপরিসীম। পবিত্র কুরআনের সুরা আল-বাকারায় মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, “তোমরা নামাজ কায়েম করো, যাকাত প্রদান করো এবং রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো।” হাদিস শরিফেও একাধারে জামাতে নামাজ আদায়ের অশেষ ফজিলত ও মুক্তির সুসংবাদ বর্ণিত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিমত, দেশের প্রতিটি মসজিদে এমন ইতিবাচক ও উৎসাহমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে নতুন প্রজন্ম কুরআন-সুন্নাহর সঠিক শিক্ষায় আলোকিত হবে এবং সমাজ গঠনে মসজিদগুলো হয়ে উঠবে প্রকৃত দিকনির্দেশনার কেন্দ্রবিন্দু।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...