ছবি : সংগৃহিত
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নেতৃত্বে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শুরু করে ৬টা ৪৫ মিনিটে শোভাযাত্রা সহকারে কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সমাধি প্রাঙ্গণের উন্মুক্ত মঞ্চে উপাচার্যের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে স্মারক বক্তৃতা করবেন নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর।
এদিকে দিবসটি উপলক্ষে নজরুল ইনস্টিটিউটে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও হামদ-নাত অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি সচিব কানিজ মাওলা।
এছাড়া বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীতে জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রুহুল কবির রিজভী বলেন, জীবনভর অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন কাজী নজরুল ইসলাম। তিনি যুগান্তরের কবি।
তিনি বলেন, যেকোনো অত্যাচার-নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে শিখিয়েছেন তিনি, যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রামে প্রধান অনুপ্রেরণাও তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান, নজরুলই ছিল মূল অনুপ্রেরণা। আজও দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যে কেউ ষড়যন্ত্র করলে নজরুলের বাণী রুখে দাঁড়াতে শেখায়।
১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।
দ্রোহ, মানবতা ও সাম্যবাদের কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।
১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।
কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...