প্রতীকী এই ছবিটি কৃত্রিম মেধা দ্বারা নির্মিত।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাগারি এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত রাতের অভিযানে হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ অংশে অবৈধ রুটগুলোতে আরও নৌ মাইন স্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবির সমালোচনা করেন তিনি।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) হরমুজ প্রণালিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে—এমন বক্তব্যের জবাবে ইব্রাহিম জোলফাগারি ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘এর জবাবে সেন্টকম কেবল ফটোশপ ব্যবহার করে প্রণালিটির নাম পরিবর্তন করতে পেরেছে।’
ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে প্রকাশিত মানচিত্র ও ছবির দিকেও ইঙ্গিত করেন ইরানের এই সামরিক কর্মকর্তা। এ প্রসঙ্গে তিনি মার্কিন দাবিকে উপহাস করে বলেন, ‘সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে! এখন থেকে তেলবাহী জাহাজগুলো পার করার জন্যও আপনারা ফটোশপ ব্যবহার করতে পারেন!’
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত নৌপথ। মধ্যপ্রাচ্যের তেল পরিবহনের ক্ষেত্রে এই জলপথের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। ফলে প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...