Logo Logo

র‍্যাব পরিচয়ে বিকাশকর্মীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ, দুই লাখ টাকা লুট


Splash Image

মোঃ শিহাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি। গোপালগঞ্জে র‍্যাব সদস্য পরিচয়ে বিকাশের এক ডিস্ট্রিবিউশন সেলস অফিসারকে (ডিএসও) প্রাইভেটকারে তুলে নেওয়া এবং তাঁর কাছ থেকে প্রতিষ্ঠানের দুই লাখ টাকা ও দুটি মুঠোফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই কর্মীকে গাড়িতে নিয়ে চোখ বেঁধে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) গোপালগঞ্জ সদর থানায় এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করেন বিকাশের ডিস্ট্রিবিউশন সেলস সুপারভাইজার মো. হাচিবুর রহমান। অভিযোগে অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে ডিএসও সামিউল ইসলাম গোপালগঞ্জের পূর্বালী ব্যাংক পিএলসি থেকে প্রতিষ্ঠানের দুই লাখ টাকা সংগ্রহ করেন। এরপর মোটরসাইকেলে করে অফিসে ফেরার পথে সকাল আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে সদর উপজেলার হরিদাসপুর ফকিরকান্দি এলাকায় একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার তাঁর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে।

হাচিবুর রহমানের অভিযোগ, প্রাইভেটকার থেকে র‍্যাবের পোশাক পরা চার থেকে পাঁচজন ব্যক্তি নেমে নিজেদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয় দেন। তাঁরা সামিউল ইসলামের দিকে পিস্তল তাক করে ভয় দেখান। পরে তাঁর হাতে হাতকড়া পরিয়ে জোর করে গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গাড়ির ভেতরে সামিউলের চোখ লাল গামছা দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর কাছে থাকা টাকা ও মালামাল দিতে বলা হয়। পরে তাঁর সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগ নিয়ে নেওয়া হয়। ওই ব্যাগে প্রতিষ্ঠানের দুই লাখ টাকা ও একটি Oppo Reno 6 মুঠোফোন ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া আরেকটি Realme Hot 60x মুঠোফোনও নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। দুটি মুঠোফোনের আনুমানিক মূল্য যথাক্রমে ৩২ হাজার ও ১৫ হাজার টাকা বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে সামিউল ইসলামকে চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কাশিয়ানী ইউনিয়নের কংশুর এলাকার বাসস্ট্যান্ডের কাছে সড়কে ফেলে রেখে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দ্রুত চলে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পর বিকাশের আরেক ডিএসও রাজু বিশ্বাস বিষয়টি অফিসে জানান। পরে সহকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সামিউলকে খোঁজাখুঁজি করেন। দুপুরের দিকে তিনি অফিসে ফিরে সহকর্মীদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানান।

এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গোপালগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...