বিজ্ঞাপন
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম।
দুদক সূত্র জানায়, সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, আয়কর ফাঁকি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চালানো হয়। অনুসন্ধানে তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৪১ হাজার ৫৭০ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত আ জ ম নাছির উদ্দীনের ২ কোটি ৩০ লাখ ১৮ হাজার ৯১০ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ২৬ কোটি ৩৮ লাখ ১ হাজার ২৮৫ টাকার অস্থাবর সম্পদ ছিল। একই সময়ে তার ৬ কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮ টাকার দায়-দেনার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়।
দায়-দেনা বাদ দেওয়ার পর ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তার নিট সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ২২ কোটি ৪৯ লাখ ২৩ হাজার ১৮৭ টাকা। এর পাশাপাশি পারিবারিক ও অন্যান্য খাতে তিনি ১৮ কোটি ১২ লাখ ৫৫ হাজার ৬৪৮ টাকা ব্যয় করেছেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। ফলে ওই সময় পর্যন্ত তার মোট অর্জিত সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ৪০ কোটি ৬১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩৫ টাকা।
অন্যদিকে, একই সময় পর্যন্ত আ জ ম নাছির উদ্দীনের গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ ২৬ কোটি ৬২ লাখ ৩৭ হাজার ২৬৫ টাকা বলে দুদকের অনুসন্ধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
অনুসন্ধানের হিসাব অনুযায়ী, তার গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় সম্পদের পার্থক্য দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৪১ হাজার ৫৭০ টাকা।
দুদকের অভিযোগ, আ জ ম নাছির উদ্দীন দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অসাধু উপায়ে অর্জিত ওই সম্পদ তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন।
এ অভিযোগে অনুমোদিত মামলায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...