ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দিপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা।
বিজ্ঞাপন
আদালত সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, আগামী এক বছর ‘শান্তিভঙ্গ’ হতে পারে এমন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না- এই শর্তে তাদের জামিন দেওয়া হয়েছে।
যে কারণে বিক্ষোভ ও ধরপাকড়
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা সংশোধন বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর (এসআইআর) কার্যক্রমে ১৩ কোটি ভোট মুছে ফেলা ও কারচুপির অভিযোগের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি।
এই কর্মসূচি ঘিরে শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানী দিল্লিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তাবলয় তৈরি করে পুলিশ। যন্তর মন্তর এলাকায় বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে গিয়ে পুলিশ রাজনীতিবিদসহ তিন হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করে। তবে শনিবার রাতেই তাদের বেশিরভাগকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে জনপ্রিয় ইউটিউবার ও এনডিএ সরকারের কড়া সমালোচক ধ্রুব রাঠিও ছিলেন।
আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা
ব্যাপক ধরপাকড় ও কড়াকড়ির মধ্যেও পিছু হটতে নারোজ সিজেপি ও আন্দোলনকারীরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এবং ভোটের গরমিল নিয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের রাজপথের আন্দোলন অব্যাহত থাকবেল বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির নেতারা।
এদিকে বিক্ষোভ ঠেকাতে মেট্রো স্টেশন ও ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালে মেট্রো চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও প্রতিটি স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থান গেটে বিপুল পরিমাণ আইনশঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে পুলিশের প্রিজন ভ্যান ও বাস।
অন্যদিকে এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিতর্ক শুরু হয়েছে। ক্ষমতাসীন বিজেপি সিজেপিকে ‘বিরোধী শক্তির অস্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করে দাবি করেছে, বিদেশি শক্তির ইন্ধনে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা চলছে। তবে কেন্ত্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, গণতন্ত্রে প্রত্যেকেরই মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে, তবে বিশৃঙ্খলা ছড়ানো কারো অধিকার হতে পারে না।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...